জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ

Displaying 1-10 of 16 results.

কড়াপুর মিয়া বাড়ি মসজিদ

Picture
কিভাবে যাওয়া যায়: 
কাশিপুর চৌমাথা থেকে পশ্চিম দিকে ৩.৫ কিলোমিটার ভিতরে রাস্তার দক্ষিণ পার্শ্বে

কাশিপুর চৌমাথা থেকে পশ্চিম দিকে ৩.৫ কিলোমিটার ভিতরে রাস্তার দক্ষিণ পার্শ্বে এটি অবস্থিত। কাশিপুর থেকে অটো রিক্সা বা আলফা গাড়ি যোগে আসা যাওয়া করা যায়।

অবস্থান: 
উত্তর কড়াপুর,বরিশাল সদর, বরিশাল।

কীর্তনখোলা নদী

Picture
কিভাবে যাওয়া যায়: 
কীর্তনখোলা নদীর উপরে বরিশাল নৌ বন্দর অবস্থিত, যা বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম নদী-বন্দর।

কীর্তনখোলা বাংলাদেশের দক্ষিণাংশে অবস্থিত একটি নদী। এই নদীর তীরে বরিশাল শহর অবস্থিত।

কীর্তনখোলা নদীর শুরু হয়েছে বরিশাল জেলার শায়েস্তাবাদ হতে। গজালিয়ার কাছে গিয়ে এটি পতিত হয়েছে গাবখান খালে। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ১৬০ কিলোমিটার।

শায়েস্তাবাদ হতে নলছিটি অবধি নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২১ কিলোমিটার। এ জায়গায় নদীটির প্রস্থ প্রায় আধা কিলোমিটার। ব্রিটিশ আমলে এটি আরো বেশি প্রমত্তা ছিলো, সেসময়ে এর প্রস্থ ছিলো ১ কিলোমিটারের মতো। গত ১ শতাব্দী ধরে চর পড়ে কীর্তনখোলার প্রস্থ কমে গেছে। এর পাশাপাশি পলি পড়ে নদীটির নাব্যতাও হ্রাস পেয়েছে।

কীর্তনখোলা নদীর উপরে বরিশাল নৌ বন্দর অবস্থিত, যা বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম নদী-বন্দর।

অবস্থান: 
বরিশাল সদর, বরিশাল

দুর্গাসাগর

Picture
কিভাবে যাওয়া যায়: 
বরিশালের বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর।

১৭৮০  খৃষ্টাব্দে চন্দ্রদ্বীপ পরগনার তৎকালীন রাজা শিবনারায়ণ এলাকাবাসীর পানির সংকট নিরসনে মাধবপাশায় একটি বৃহৎ দীঘি খনন করেন। তাঁর মা দুর্গাদেবীর নামে দীঘিটির নামকরণ করা হয় দুর্গাগাসাগর। প্রত্নতত্ত্ব সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিবর্তে দুর্গাসাগর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছে জেলা প্রশাসন। দুর্গাসাগরের তিনদিকে ঘাটলা ও দীঘির ঠিক মাঝখানে ৬০ শতাংশ ভূমির উপর টিলা।

দুর্গাসাগরের অদূরেই রয়েছে অত্যাধুনিক বায়তুল আমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্স ও শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক জাদুঘর। এ জাদুঘরটি বানারীপড়ার চাখারে শেরেবাংলার জন্মভিটায় অবস্হিত। দুর্গাসাগরে এক সময়ে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখির সমাগম হতো। জলবায়ু পরির্বতনের প্রভাব ও র্সবশেষ ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বরে সংঘটিত সাইক্লোন ‘সিডরে’র পর দুর্গাসাগরে আর অতিথি পাখির দেখা মিলছে না। 

আড়াই শত বছর আগে খনন করা ঐতিহ্যবাহী দুর্গাসাগর ও তার অদূরেই লাকুটিয়া জমিদার বাড়িটিও দর্শনীয় স্থান হিসাবে পরিচিত। লাকুটিয়া জমিদার বাড়িটি তিনশত বছরের পুরনো।

অবস্থান: 
বরিশাল, বাবুগঞ্জ।

গুটিয়া মসজিদ

Picture
কিভাবে যাওয়া যায়: 
বরিশাল-বানারীপাড়া সড়ক ধরে এগোলেই উজিরপুর উপজেলা। সড়কের পাশে গুঠিয়ার চাংগুরিয়া গ্রাম। এগ্রামেই আছে দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ মসজিদ।

বরিশাল-বানারীপাড়া সড়ক ধরে এগোলেই উজিরপুর উপজেলা। সড়কের পাশে গুঠিয়ার চাংগুরিয়া গ্রাম। এগ্রামেই আছে দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ মসজিদ। ২০০৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর উজিরপুরের গুঠিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা শিক্ষানুরাগী এস. সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টু চাংগুরিয়ার নিজবাড়ির সামনে প্রায় ১ ৪একর জমির উপর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে গুঠিয়া বাইতুল আমান জামে মসজিদ- ঈদগাহ্ কমপ্লেক্স এর নির্মান কার্যক্রম শুরু করেন। ২০০৬ সালে উক্ত জামে মসজিদ - ঈদগাহ্ কমপ্লেক্সের নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়।এই মসজিদ কমপ্লেক্সের ভেতরে একটি বৃহৎ মসজিদ-মিনার, ২০ হাজার অধিক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ঈদগাহ্ ময়দান, এতিমখানা, একটি ডাকবাংলো, গাড়ি পার্কিংব্যবস্থা, লেক-পুকুরসহ বিভিন্নপ্ রজাতির ফুলের বাগান রয়েছে। কমপ্লেক্সের মূল প্রবেশ পথের ডানে বড় পুকুর।পুকুরের পশ্চিম দিকে মসজিদ,  এক সঙ্গে প্রায় দেড় হাজার মুসল্লী নামাজ পড়তে পারে। মসজিদ লাগোয়া মিনারটির উচ্চতা ১৯৩ফুট । ঈদগার প্রবেশ পথের দুই ধারে দুটি ফোয়ারা আছে। এই মসজিদের নির্মাণ কাজে প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার নির্মান শ্রমিক কাজ করেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায় ।পরে গুঠিয়ার নামেই মসজিদটি পরিচিতি লাভ করে।

অবস্থান: 
গুঠিয়ার চাংগুরিয়া গ্রাম,উজিরপুর উপজেলা,বরিশাল।

৩০ গোডাউন (রিভার ভিউ পার্ক ও বধ্যভূমি )

Picture
কিভাবে যাওয়া যায়: 
বরিশাল শহর থেকে রিক্সা যোগে অতি অল্প সময়ে যাওয়া সম্ভব।

৩০ গোডাউন একটি রিভার ভিউ পার্ক ও মুক্তিযুদ্ধ সৃতি স্তম্ভ রয়েছে। এটি বরিশাল এর একটি শুটিং স্পট হিসেবেও পরিচিত।

অবস্থান: 
বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এর বিপরীত এবং কীর্তণখোলা নদীর পাড়ে অবস্থিত ।

সফিপুর ইউনিয়নের হিজল তলার বিল

Picture
কিভাবে যাওয়া যায়: 
ঢাকা থেকে লঞ্চে সফিপুর নামতে হবে। মুলাদী থেকে দুরত্ব ৩৫ কি.মি.

সফিপুর ইউনিয়নের ৩ও৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ঐতিহাসিক বিল হল হিজল তলার বিল। এই বিলে দুটি পুরোনো হিজল গাছ আছে যার বয়স প্রায় ১২০ বছর।

অবস্থান: 
সফিপুর ইউনিযন

চাঁদশী ঈশ্বর চঁন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়

Picture
কিভাবে যাওয়া যায়: 
চাঁদশী ঈশ্বর চঁন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ডাকঘর: চাঁদশী, উপজেলা: গৌরনদী, জেলা: বরিশাল। ঢাকা-বরিশাল মহা সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে গয়না ঘাটা- রাজিহার সড়ক ৪দিয়ে।চাঁদশী বাজার দিয়ে উত্তর দিকে (চাঁদশী ঈশ্বর চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়) অবস্থিত।প্রায় ৪ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত।

অত্র বিদ্যালয়টি ১৯১৫ইং সনে বাবু কেদারনাথ বসু মজুম দারের প্রতিষ্ঠা করেন। বিদ্যালয়টি বরিশাল জেলা,গৌরনদী উপজেলার অন্তর্গত৩নং চাঁদশী ইউনিয়ন অবস্থিত। এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৯ জন শিক্ষক, ৪ জন শিক্ষিকা, ১ জন অফিস সহকারী এবং ২ জন ৪ষ্ঠ শ্রেনী মোট ১৬ জন শিক্ষক শিক্ষিকা ও কর্মচারী কর্মরত আছে। বিদ্যালয়ে একটি দ্বিতল ভবন ও একটি একতলা ভবন আছে।

অবস্থান: 
গ্রামঃ দক্ষিন চাঁদশী,ওয়ার্ড নাং: ২, ডাকঘর: চাঁদশী, উপজেলা: গৌরনদী, জেলা: বরিশাল

চরামদ্দী মুঙ্গাখাঁন জামে মসজিদ

Picture
কিভাবে যাওয়া যায়: 
বাকেরগঞ্জ অথবা বরিশাল শহর থেকে নতুন তৈরীকৃত ভোলার রাস্তা হয়ে যেতে হয়।

মসজিদটি মুঘল স্থাপত্য নিদর্শনে তৈরী। মুঙ্গা খাঁ নামীয় ধনাঢ্য ব্যবসায়ী একজন দরবেশের অনুপ্রেরণায় মসজিদটি নির্মাণ করেন।

অবস্থান: 
চরামদ্দী ইউনিয়ন